টিপু সুলতান ।।ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নে দেবীপুর ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় নিয়োগে তথ্য গোপন করে অবৈধ ভাবে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন আবু সাঈদকে।
আবু সাঈদ উপজেলার ৫নং শম্ভুপুর ইউনিয়নে নিকাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগ প্রাপ্ত থাকা অবস্থায় তথ্য গোপন করে কৌশলে দেবীপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায়, প্রভাষক পদে নিয়োগ লাভ করেন। তাহার ( ইনডেক্স নম্বর M0068829 )।
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-(২০১৮ এর সংশোধিত ২০২০)। ১১.১০ (ক) ধারাতে উল্লেখ রয়েছে এমপিওভুক্ত কোন শিক্ষক/ কর্মচারি একই সাথে একাধিক পদে চাকুরিতে অথবা আর্থিক লাভজনক কোন পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না। অথচ উক্ত নীতিমালা বহির্ভূত ভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে আবু সাঈদ নিজেকে শৈরাচার আওয়ামী লীগের ধোসর হিসেবে উপস্থাপন করেন। সে সরকারের নিয়ম নীতির কোন তোয়াক্কা করে না। তার বিরুদ্ধে নকল বালাম বইয়ের ব্যবহার ও একাদিক সাব- কাজী নিয়োগ দিয়ে বাল্য বিবাহ পড়ানো সহ এলাকা বাসির অভিযোগ রয়েছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আবু সাঈদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে একপর্যায়ে মুঠোফোনে কল রিসিভ করে তার ভাই পরিচয়ে এক ব্যক্তি ভোলা নিউজকে বলেন, তজুমদ্দিনে যে প্রধান কাজী তিনিও একটি মাদ্রাসার প্রিন্সিপ্যাল। আইন কি শুধু আমাদের জন্য?
এই ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার রিয়াজুল করিম মুঠোফোনে বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। ওই মাদ্রাসায় আবু সাঈদের নিয়োগ হয়েছে, তাঁর সব নথিপত্র চেয়ে চিঠি দিবো। কাগজপত্র দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোলা নিউজ / টিপু সুলতান
মন্তব্য করুন