শহিদুল ইসলাম মনপুরা প্রতিনিধি।
ভোলার বিছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরাকে জাতীয় গ্রিডের আওতায় আনতে আজ শুক্রবার ঢাকা থেকে বিদ্যুৎ বিভাগের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল মনপুরা উপজেলায় সফর করেছেন।
সফরে দ্বীপটির বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যালোচনা করে দুটি কার্যকর পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন কর্মকর্তারা-
একটি হলো তজুমুদ্দিন থেকে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে,
অন্যটি হলো চরফ্যাশন থেকে নদীর তলদেশ দিয়ে সরাসরি মনপুরা পর্যন্ত গ্রিড সংযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা।
উপজেলা মনপুরাকে জাতীয় গ্রিডের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে আজ শুক্রবার সকালে বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) নূর আহমদ,
অতিরিক্ত সচিব (নবায়নযোগ্য জ্বালানি অনুবিভাগ) কে.এম আলী রেজা,
এবং বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মনপুরা সফরে আসেন।
প্রতিনিধি দলটিতে আরও উপস্থিত ছিলেন
ওজোপাডিকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ জাকিরুজ্জামান,
নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান,
প্রধান প্রকৌশলী (অপারেশন) প্রকৌশলী রোকনুজ্জামান,
বাবিউবোর পরিচালক (নবায়নযোগ্য জ্বালানি) মনিরুজ্জামান,
পরিচালক (কারিগরী) মোঃ আব্দুল আজিজ,
উপসচিব মুহম্মদ আনোয়ার হোসেন,
পিজিসিবির নির্বাহী প্রকৌশলী নূর মোহাম্মদ,
এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব হাসান সাদী!
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ফজলে রাব্বি বলেন:
মনপুরার মানুষ বহু বছর ধরে বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
আমি এই উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে মনপুরাবাসীর জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
আমরা চাই এই দ্বীপও যেন মূল ভূখণ্ডের মতোই আলোকিত হয়।
মনপুরাকে জাতীয় গ্রিডের আওতায় আনার বিষয়টি বাস্তবায়নে আমি জনগণের পাশে থাকব।”
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনপুরা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান মিলন মাতাব্বর,
মনপুরা জামায়াতে ইসলামী আমির আমিনুল এহসান জসিম,
এবং মনপুরা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবুল আলম শাহিন।
তাঁরা সকলে মনপুরাকে জাতীয় গ্রিডের আওতায় আনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সরকারের দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
মনপুরাকে জাতীয় গ্রিডের আওতায় আনার এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে
দেশের সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন দ্বীপগুলোর মধ্যে মনপুরা হবে প্রথম যেটি মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সরাসরি গ্রিড সংযোগ পাবে।
এতে দ্বীপবাসীর দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটবে বলে আশা করছে সবাই।
মন্তব্য করুন