লালমোহনে কাশেম চেয়ারম্যানের পাচারকৃত কেওড়া গাছসহ আটক, ধা্মাচাপা দেয়ার চেষ্টায় দৌড়ঝাপ

ভোলানিউজ.কম,

০৩-১০-২০১৭ইং,

বিশেষ প্রতিনিধি:  ভোলার লালমোহনে ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের পাচারকৃত সরকারী কেওড়া গাছ বোঝায় করা কাভারভ্যান সহ তিন জনকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। সোমবার সকালে উপজেলার কর্তারহাট এলাকা থেকে আটক করে পাচারকারী সহ তিনজনকে বন বিভাগের কাছে হস্তান্ত করেন এলাকাবাসী। এসময় ১২৯০ পিচ গাছের টুকরা ও ৫৯৬.৪৬ ঘণফুট গাছ উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায়  ৩ লক্ষ টাকা। আটককৃতারা হলেন, মনপুরা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের পাচারকারী কামরুজ্জামন ডালিম (৩৮), কাভারভ্যান চালক রফিক (৩০), হেলপার সোহাগ (২০)।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার সকাল ৮টার দিকে লর্ডহার্ডিঞ্জ থেকে পাচারের সময় কর্তারহাট এলাকায় কাভারভ্যান বোঝায় করা সরকারী কেওড়া গাছ সহ পাচারকারী ডালিম সহ চালক ও হেলপারকে আটক করেন তারা। তাদেরকে জিজ্ঞাবাদ কালে আটককৃত ডালিম গাছগুলো লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়ার বলে দাবি করেন। পরে আটককৃতদের গাছ বোঝায় ভ্যান সহ বন বিভাগের কাছে সোপর্দ করেন।
এব্যাপরে লালমোহন উপজেলা রেঞ্জ অফিসার আলাউদ্দিন নিশ্চিত করে বলেন, সকালের দিকে লর্ডহার্ডিঞ্জ বাজার এলাকা থেকে আনা সরকারী কেওড়া গাছ বোঝায় একটি কাভারভ্যান সহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এসময় ১২৯০ পিচ টুকরা ও ৫৯৬.৪৬ ঘণফুট গাছ উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায়  ৩ লক্ষ টাকা। আটককৃতের বিরুদ্ধে বনজ সম্পদ পাচার আইনে মামলা দায়ের করে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
এব্যাপারে অভিযুক্ত লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া বিয়ষটি অস্বীকার করে বলেন, ডালিমের বাড়ি মনপুরায় সে আমার ইটভাটায় এক সময় কাজ করেছে। কেন সে গাছগুলো আমার বলেছে আমি তা জানিনা। হয়তো সুনাম নষ্ট করার জন্য আমার নাম বলেছে বলে তিনি এড়িয়ে যান।


উল্লেখ্য, এর আগে চেয়ারম্যান আবুল কাশেরে বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় তার পরিচালীত রণক ইটভাটায় বিভিন্ন বন থেকে সরকারী গাছ এনে পুড়ানোর অভিযোগ রয়েছে।

(আল-এম)