ভোলায় মাথায় মেহেদী দেয়ার কারনে ছাত্রীর চুল কেটে নিলো শিক্ষিকা।

বিশেষ প্রতিনিধি,

ভোলানিউজ.কম,

১৭-০৯-২০১৭ইং রবিবার,

ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষার শিক্ষিকা হামিদা বেগম এর বিরুদ্ধে ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর চুল কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্কুল চলাকালীন সময়ে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় হামিদা বেগম এর বিচার ও শাস্তি দাবী করে জেলা প্রশাসক মহোদয় ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবরে লিখিত অভিযোগ প্রদান করেছে ৯ম শ্রেণীর ওই ছাত্রী। এ নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।


অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী নাবিলা চৌধুরী (দিবা রোল-৩৪) প্রতিদিনের মতো বিদ্যালয়ে এসে কাশ করছিলো। স্কুল চলাকালীন সময়ে ওই বিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষার শিক্ষিকা হঠাৎ করে কাশ রুমে প্রবেশ করে সহপাঠীদের সামনে নাবিলা চৌধুরীর চুল কেচি (সিজার) দিয়ে কেটে দেয়। নাবিলা ওই শিক্ষিকাকে কি অপরাধে চুল কাটলো তা জিজ্ঞাসা করলেও মেহেদী দিয়ে চুল কালার করার অপারেধে কেটেছেন বলে জানান। এ ঘটনায় নাবিলা চৌধুরী মানষিকভাবে ভেঙ্গে পড়েন ও সহপাঠীদের সামনে লজ্জিত হন। পরে নাবিলা বিষয়টি তার পিতা-মাতাকে জানালে তারা বিষয় জানায়। পরে নাবিলা চৌধুরী এ ঘটনার বিচার ও শাস্তি দাবী করে জেলা প্রশাসক মহোদয় ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগে দায়ের করেন। জেলা প্রশাসক এ ব্যাপারে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে তাদেরকে আশ্বাস দেন। তবে এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকার বিচার দাবী করছেন।
শিক্ষার্থী নাবিলা চৌধুরী বলেন, শারীরিক শিক্ষার শিক্ষিকা হামিদা বেগম বিনা অপরাধে আমাদের ক্ললাশের ভিতরে প্রবেশ করে সহপাঠীদের সামনে আমার চুল কেটে দেয়। আমি তাকে কেন আমার চুল কাটলো জিজ্ঞাসা করলে সে বলেন, তুই মাথায় কেনো মেহেদী দিয়ে চুল কালার করলি, তাই তোর চুল কেটে দেওয়া হলো। আমি এ ঘটনায় কাশের সহপাঠীদের সামনে চরম অপমান বোধ করছি। আমি এখন কিভাবে সহপাঠীদের সামনে মুখ দেখাবো। আমি ওই শিক্ষিকার বিচার ও শাস্তি দাবী করছি।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষিকা হামিদা বেগমের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি।

(আল-এম)