চাকুরীর সুপারিশ পাওয়ার জন্য দল করি না- সাইফুল

ভোলানিউজ.কম,

১৩-০৯-২০১৭ইং,

     জম্ম হোক যথা তথা, প্রত্যেক মানুষের কর্মটি হোক ভালো।

পরিবার বা আত্বীয় স্বজনের চাকুরীর জন্য সুপারিশ করা নিয়ে আজ পযর্ন্ত কোন মন্ত্রী এমপিকে কল করিনি।শুধু আওয়ামীলীগ দলকে ভালোবাসি বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে ভালোবেসে দল করি।চাকুরী হলো মেধা আর দক্ষতা, আমার পরিবারের সন্তানের যদি মেধা দক্ষ হয়ে থাকে তাহলে সে চাকুরী পাবে। একজন অদক্ষ লোককে অর্থ’র বিনিময় সুপারিশ করা একজন ভালো মানুষের কাজ নয়।যার যোগ্যতা আছে সে চাকুরী পাবে।অনেক সময় দেখা যায় সমাজের কিছু ব্যক্তিরা টাকার বিনিময় এবং অমুখ মন্ত্রীর আত্বীয় অমুক নেতার নেতা বলে সুপারিশ নিয়ে চাকুরী করছে। এগুলো দলের ভাব মূর্তিকে ক্ষুন্ন করা হচ্ছে।যারা প্রকৃতপক্ষে দলকে ভালোবাসে তারা কখনো কারো জন্য সুপারিশ করে না।যে সন্তান পড়া-লেখা করে তার আশা থাকে মনের মধ্যে সেই আশাকে ভেঙ্গে দেয়া ঠিক না।যখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ছিলো তখন আমরা অনেক নির্যাতিত হয়েছি। কোন নেতার হাত নেই, পা নেই। কেউ দলের জন্য নিজের জিবনকে বির্সজন দিয়ে চলে গেছে না ফেরার পথে।কিন্তু তারা আজ কেমন আছে কিভাবে আছে, তাদের কিভাবে পরিবার চলছে কেউ খোজ-খবর নিয়েছে।অথচ সব সময় আমরা মুখে বলি দলকে ভালোবাসি। দলকে যদি ভালোবেসে থাকেন আর জননেত্রী শেখ হাসিনাকে যদি ভালোবেসে থাকেন তাহলে আপনারা নির্যাতিত নেতা কর্মীদের খোজ-কবর নিন।তাদের পাশে গিয়ে সেবা করেন।শুধু কোথায় টেন্ডার, কোথায় টাকা, কোথায় ক্ষমতা, কোথায় চেয়ারম্যান এগুলো চিন্তা ছেড়ে মানুষের সেবা করা সবচেয়ে উত্তম।আপনি যদি ভালো মানুষ হয়ে থাকেন জনগনের সেবা করেন তাহলে সকলেই আপনাকে ভালোবাসবে। আপনি ক্ষমতা পাওয়ার জন্য যদি আসেন সেটা ভুল হবে।ক্ষমতা চিরদিন থাকে না, আপনি ভালো কাজ করলে তার প্রতিদানটিও ভালো পাবেন বলে আমি মনে করি।

এই দেশের জন্য জীবনকে বির্সজন দিয়ে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শিকার হয়ে অনেক নেতা-কর্মীর রক্তে রঞ্জিত ছিলো ঢাকা শহর।সত্যিকারে আপনি যদি বঙ্গকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ভালোবেসে থাকেন।তাহলে মানুষের সেবায় কাজ করে যান। শুধু ক্ষমতা পেয়ে টাকার হিসাব করে দিন কাটালে চলবে না। দেশের প্রতিটা জেলায় কোন মানুষের কি সমস্যা সেটা যদি সমাদান করতে পারেন তাহলে সবচেয়ে উত্তম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার একার কাছে সবকিছু সম্ভব না। আপনারা যারা দায়িত্ববান ব্যক্তিরা রয়েছেন তারাই খোজ-খবর নিবেন এটা জণগনে আশা করেন।আপনারাই যদি সবকিছু গোপন করে রাখেন তাহলে প্রধানমন্ত্রী জানবে কিভাবে।প্রকৃতপক্ষে যদি আপনি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ভালোবাসেন তাহলে সত্যের পথে থেকে মানুষের সেবা করলে আমি মনে করি এই দেশে কোন গরিব থাকবে না। আত্বীয় স্বজনের চিন্তা ছেড়ে দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কাজ করে, নিজের জীবনকে সুন্দর একটি জীবন হিসেবে গড়ে তোলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অক্লান্ত পরিশ্রম করে থাকেন এই দেশের জন্য। আপনারও যদি তার মতো কাজ করেন তাহলে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দলের উপর থেকে মানুষের আস্তাকে বুলেট মেরেও কেউ সরাতে পারবে না বলে আমি মনে করি।……….লেখায় ভুল হলে ক্ষমার চোখে দেখবেন…….. মোঃ সাইফুল ইসলাম কবীর- সাধারণ সম্পাদক অস্ট্রিয়া আওয়ামীলীগ,

 

প্রিয়ও পাঠক লেখাটি তার ব্যক্তিগত সাইড থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।তবে এতো সুন্দর একটি লেখা দেখে অবাক লাগে এই জগতে এখনো সত্য মানুষ বেচে আছে।যারা প্রকৃত দলকে ভালবাসে তারা কখনো দলের ক্ষতি এবং কিছু পাওয়ার আশা করে না।

সাইফুল ইসলাম কবীর ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপনি সাধারণ মানুষের কথা তুলে ধরায় চির কৃতজ্ঞতায় ভোলানিউজ.কম,

(আলএম)