‘টাইগারদের সফলতা’ সাকিবকে আদর করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্কঃ ভোলানিউজ.কম,

৩০আগস্ট-২০১৭ইং বুধবার,

সাকিব-মুশফিকদের খেলা দেখতে আগের দিনই মাঠে যেতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু দিনের শেষ দিকে হওয়ায় আর যাওয়া হয়নি। কিন্তু টাইগারদের অস্ট্রেলিয়া বধের কিছু আগেই বুধবার গ্যালারিতে উপস্থিত হলেন তিনি। কিছুক্ষণের মধ্যে আসলো মাহেন্দ্রক্ষণ। ২০ রানে শেষ হয়ে গেলো স্মিথদের খেলা। আনন্দে মেতে উঠলো মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ভেতরে বাইরে কোটি বাঙালি। অগণিত দর্শকদের সঙ্গে আনন্দে হাসলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও।

দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানালেন সাকিবদের। কাকে যেন টেলিফোনে জানাচ্ছিলেন জয়ের খবর। পরে বিসিবি সভাপতির তুলে দেয়া জাতীয় পতাকা নেড়ে অভিবাদন জানান শেখ হাসিনা। টেলিভিশনের পর্দায় তার জয় উদযাপনের চিত্র দেখছিলো দেশবাসী।

জানা গেছে, খেলার শেষ মুহূর্তে ভিআইপি লাউঞ্জে যখন টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিলো তখন ত সবাইকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতো টেনশনের কিছু নেই , জিতে যাবো ইনশাল্লাহ  ।’

অবশেষে জিতেও্ গেলেন। জয়ের পর সবাইকে বললেন , এই জয় হচ্ছে দেশবাসীর জন্য পবিত্র ঈদের উপহার ।

এ জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জয়ের নায়ক অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়। মাঠ ছেড়ে ক্রিকেটাররা যখন ড্রেসিং রুমে জয়ের আনন্দে ভাসছেন, তখন তাদেরকে অভিনন্দন জানাতে ছুটে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সেখানে ম্যাচ জয়ে ভূমিকা রাখা সাকিবকে মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করে দেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় প্রধানমন্ত্রীকে হাসতে দেখা যায়। চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকা সাকিবের পাশে দাঁড়িয়ে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনকেও মুচকি হাসতে দেখা যায়।

এসময় পাশে ছিলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে ও প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ছেলে জারিফও।

এরপর একে একে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রেমবন্দি হন টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম, সহ-অধিনায়ক তামিম ইকবাল, প্রধান কোচ হাথুরুসিংহ।

পরে প্রধানমন্ত্রীকে মধ্যমণি করে দলের সব ক্রিকেটাররা ফটোসেশন করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীকে পাশে রেখে আনন্দ ভাগাভাগি করেন ক্রিকেট বোর্ড পরিচালক ও বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। সবশেষ ছবিতে দেখা গেছে তিন নির্বাচক, কোচিং স্টাফ ও ম্যানেজার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রেমবন্দি হন।

ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাকিব বলেন, “উনি (প্রধানমন্ত্রী) সব সময় সাপোর্ট দেন, ক্রিকেট অনেক পছন্দ করেন। সেই সাপোর্ট দেখাতে এসেছিলেন। উনি বললেন, কালকেও আসতে চেয়েছিলেন, ব্যস্ততার কারণে আসতে পারেননি। শেষ মুহূর্তেও আসতে চেয়েছিলেন। পাপন ভাই বলেছেন যে আসলে আর দুই এক ওভার পেতে পারেন, তখন আর আসেননি ।’

সাকিব বলেন, ‘এমন সাপোর্ট সবসময় অনুপ্রেরণা জোগায় অবশ্যই। দলের ভালো করার জন্য এমন সাপোর্ট অনেক দরকার। প্রধানমন্ত্রী আসা মানে আমরা জানি যে আমাদের পেছন পুরো দেশই আছে।’