৮ বছরের শিশুকে এ কেমন শাসন ?

ইয়ামিন হাওলাদার,

ভোলানিউজ.কম,

৩০জুলাই-২০১৭ইং রবিবার,

 ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেদুয়া গ্রামের কিতাব আলী চৌকিদার বাড়ীর দরজায় মদিনাতুল ইসলামিয়া মাদ্রাসার সুপার মাওলানা সামছুদ্দিনের বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুসন্ধানে গিয়ে জানাযায় ঐ মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র মোঃ জিহাদুল ইসলাম (৮), গত বৃস্পতিবার মাগরিবের নামাজ না পড়ায় শনিবার সকালে ঐ ছাত্রকে পিটিয়ে শরীরের অঙ্গ-প্রতঙ্গে দাগ করে ফেলেছে। এবং ঐ শিশু বর্তমানে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লরছে। অন্যদিকে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল বিষয়টিকে ধামা চাপা দেওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। শিশু জিহাদের বাবা অসহায় আব্দুল গনি বেপারী তার বাড়ীতে এই প্রতিবেদক বিষয়টিকে জানার জন্য গেলে তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন। আমার ছেলে অবুঝ এই ছেলের বয়স মাত্র ৮ বছর এই বয়সে নামাজ সমন্ধে কী বোঝে? তাছারা ঐ শিক্ষক সামছুদ্দিন মাওলানার বিরুদ্ধে এরকম একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আমার ছেলেটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও শিক্ষকের সহযোগী হয়ে স্থানীয় একটি মহল আমাকে হাসপাতালে যেতে বাধা দেয় এবং জনতা বাজারের হাতুরে ডাক্তার হোসেনের কাছ থেকে ঔষধ আনতে বলে। বর্তমানে ঐ ছেলেটি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এই বিষয়ে স্থানীয় নজরুল ইসলাম জমাদারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন বিকালে আমরা পয়সালা করে দিব। ঐ ওয়ার্ডের মেম্বার আবু তাহের হাওলাদারে সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান ভাই আমি ভোলাতে আছি। তবে ঘটনাটি শুনেছি। রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল হক মিঠু চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ব্যবহাকৃত মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়ার সম্ভব হয় নি। অভিযুক্ত মাওলানা সামছুদ্দিনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য ঐ মাদ্রাসায় গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহাকৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান শাসন করতে গিয়ে এরকম হয়। তবে একটু বেশী হয়ে গেছে। আপনারা যদি আমার বিরুদ্ধে পত্র পত্রিকায় নিউজ করেন তাহলে ভোলার শহরে আগুন জ্বলবে। তবে তার সহকারী মোস্তফা কামাল ঘটনা সত্যতা স্বিকার করেছেন। এদিকে এই বিষয়টি নিয়ে ভোলার বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এর তীব্র নিন্দা জানান। তারা অতি দ্রুত ঐ ছাত্রের সুচিকিৎসা ও ঐ শিক্ষককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শান্তির দাবী জানিয়েছে।