ভোলায় আইনজীবির’র উপর ছাত্রলীগের হামলা

বিশেষ প্রতিনিধি,

ভোলানিউজ.কম,

১১জুলাই-২০১৭ইং মঙ্গলবার,

ভোলা চীফ জুডিশিয়াল কোর্টের আইনজীবি এম.এইচ.এ হিরনের উপর গত রবিবার রাতে চরফ্যাশন টু ঢাকাগামী এম.ভি ফারহান-৫ লঞ্চের ২৩১ নং কেবিনে আটক করে চরফ্যাশন উপজেলা ছাত্রলীগের কর্মীরা হত্যার উদ্দেশ্যে অর্তকিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ
আহত আইনজীবি হিরন ১১জুলাই সোমবার ভোলা জেলা আইনজীবি সমিতির মিলনায়তনে প্রতিবাদ সভায় তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত রবিবার চরফ্যাশন বেতুয়া লঞ্চঘাট হইকে এমি ফারহান-৫ লঞ্চে ২৩১ নং কেবিনে ঢাকার উদ্দেশ্যে অবষÍান করিতেছিলাম। রাত অনুমান ৯টার দিকে ভোলা সদর থানাধীন তুলাতলি মেঘনা নদীর মধ্যখানে পৌছালে শশীভুষণ থানাধীন জি.এর ১০৯/২০১৫ইং নং মামলার আসামী গণ আরো কয়েকজন লোক আমাকে হত্যা করিয়া নদীতে ফেলার উদ্দেশ্যে অর্তকিতভাবে হামলা চালায়। এসময় আমার সাথে থাকা ৩০ হাজার টাকা, ও একটি স্যামসাং মোবাইল যাহার মূল্য ৪০হাজার টাকা, একটি স্যামফোনি টার্চ মোবাইল যাহার মূল্য ১০হাজার টাকা, এবং আরো সাথে আসবাবপত্র যাহার মূল্য ৪০হাজার টাকা নিয়ে যায়। তখন আমাকে লোহার রড দিয়ে আঘাত করলে আমি অজ্ঞান হইয়া পড়িলে। আমি মৃত্যুবরণ করিয়াছি ভাকিবয়া তাহারা আমার কেবিনের বাহিরে তালা দিয়ে আমায় আটক রেখে চলে যায়। রাত ৩টার সময় লঞ্চ কর্তৃপক্ষ আমার কেবিনের তালা খুলিয়া দেয়। তারপর ভোর ৫.৩১মিনিটে আমার স্ত্রী সন্তানদের বাধ ভাঙ্গা কান্নার লাইভ ফেসবুকে পোষ্ট দেখার পর চরফ্যাশনের সাবেক সাংসদ সদস্য নাজিমউদ্দিন আলম বিভিন্ন তদবীরের মাধ্যমে আমাকে উদ্ধার করে। পরে সকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে থাকি। এসকল হামলার আমি তীব্র নিন্দা জানাই এবং সকল প্রশাসনের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী কামনা করছি।
এদিকে, মঙ্গলবার সকালে প্রশাসনের কাছে এঘটনার হামলাকারী সন্ত্রাসীদের শাস্তির দাবী কামনা করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ভোলা জেলা আইনজীবি সমিতি। অন্য দিকে এঘটনায় ভোলা জেলার সকল সাংবাদিকবৃন্দের কাছে লিখিত পত্র পাঠিয়েছেন ভোলার আইনজীবিরা।