দিপ্তির গোপন কাহিনী ফাঁস ভোলার লালমোহনে অর্থের লোভে মুসলিম থেকে হিন্দু- আলোচিত দিপ্তি রানী দাস

জসিম রানা,

ভোলানিউজ.কম,

১১জুলাই-২০১৭ইং মঙ্গলবার,
প্রেম ও অর্থের লোভে একজন নারী কত নিচে নামতে পারে, এমনকি পৃথিবীর একমাত্র সত্য ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে সনাতন (হিন্দু) ধর্ম গ্রহন করতে পারে। এ রহস্যময়ী বহুরূপী নারী স্বার্থের জন্য কিছু দিন পরপর স্বামী ও ধর্ম চেঞ্জ করার মতো জঘন্ন কাজও করতে পারে।

যে ঘটনাটি বর্তমানে লালমোহন ও ভোলায় টক অফ দা টাউনে পরিনত হয়েছে। গত ১৭ মে হঠাৎ করে ভোলার লালমোহন পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে কালিপদ দাসের বাড়ীতে জান্নাতুল ফেরদাউস বীনা ছদ্ম নাম দিপ্তি রানী দাসের আবির্ভাব ঘটে। সে এসেই কালিপদ দাসের ঘরে উঠার জন্য মায়া কান্না ও দৌরঝাপ শুরু করে। ভোলার মানুষের মন-তো এমনিতেই নরম। অন্যান্ন জেলার মানুষের থেকে একটু আলাদা নয়কি? ভোলার মানুষ অনেকটা উদার মাইন্ডের, স্বজন প্রিয় ও অর্ধেকটা পাগোল বললেও চলে। এ যাবৎ অনেক প্রতারকই এদের মাথার উপর লবন রেখে বড়ই খেয়ে তাদের কার্য হাসিল করে চেল গেছে। আর এখানে সুন্দরী একটা নারী চোঁখের পানি ফেলে বার বার বলছে, কালি পদ বাবুর ছেলে আমাকে সর্বনাশ করে পালিয়ে গেছে। এখন আমি আমার শ্বশুরের ঘরে উঠতে চাই। আপনারা ভোলাবাসী আমাকে সহযোগীতা করুন। দিপ্তির এ আকুতি-মিনতি ও চোঁখের পানিকে বিশ্বাষ করে ওর জন্য গত ২মাস যাবৎ ভোলাইয়ারা কত কি-ই-না করেছি। আর সংবাদিক ভাইরা দিপ্তির অধিকার আদায়ের জন্য টিভি, পত্রিকা ও অন- লাইনে একাধিকবার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আর ফেস বুকের কথা কি বলব ? এর আগে ভোলাতে এফবিতে কোন বিষয় নিয়ে এত বড় ঝড় উঠতে আমি দেখি নাই। দিপ্তির পক্ষে বৃষ্টির মত লাইক, কমেন্ট পরেছে এফবিতে সত্য কখনো গোপন থাকে না। কিন্তু প্রকাশ হতে একটু সময় লাগে। দিপ্তির প্রথম স্বামী, জোবায়ের, দ্বিতীয় স্বামী ইকবাল, বাবা বাছেদ তালুকদার, ও কালিপদ দাসের মামলার বিবরণ সূত্রে জানাযায়, দিপ্তি কখনো হিন্দু ছিল না। সে একমাত্র প্রেম ও আর্থের লোভে ইহকাল-পরকালকে ভুলে ইসলাম ধর্মের মতো একটি সত্যিকার ধর্মের মুখে কালি মেখে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছে। আরো জানাগেছে এ লেডি রংবাজ দিপ্তি দেশের একটি অন্যতম প্রতারক সিন্ডিকেটের সদস্য। সে একটি গ্যাং এর সাথে কাজ করছে। সে সর্বদা মাদক আশক্ত থাকে। দিপ্তি ইয়াবা ও সিগারেট এমন একাধিক ভিডিও পাওয়াগেছে। অর্থের লোভে সে দেশের বিভিন্ন যায়গায় ইতপূর্বে এমন নাটক আরো করেছে। উপরে উল্লেখিত সুত্র থেকে জানতে পারলাম গত ০২-০৬-১৯৯২ তারিখে দিপ্তির জন্ম হয় টাংগাইলের ভূয়াপুরে একটি মুসলিম পরিবারে। তার বাবার নাম আবদুল বাছেদ তালুকদার, মার নাম, লাভলী বেগম। তার জাতীয় পরিচয় পত্রের নং-১৯৯২৬৮২৬৩০৩০০০০১০। গত ১২-০৬-২০০৭ তারিখে তার বাবা মা তাকে নরসিংদির পৌরসভার পলাশ নামক স্থানের মোসলেম ভূইয়ার ছেলে জোবায়ের আহাম্মদের কাছে তাকে বিয়ে দেয়। জোবায়েরের জাতীয় পরচয় পত্র নং-১৯৮২৬৮২৬৩০৩০০০০০৯। সূত্রে জানাগেছে, বিয়ের পর দিপ্তি ২ সন্তানের মা হলেও সে ছাড়তে পারেনি পরপরুষের সাথে অবৈধ মেলামেসা ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের নেশা। যে কারণে জোবায়েরের সাথে দিপ্তির সংঘাত লেগেই থাকত। এক পর্যায়ে দিপ্তি তার স্বামী ও ছোট ছোট বাচ্চাদের রেখে ওই এলাকার ইকবাল নামে এক ছেলের পরকীয়া প্রেমে পরে ঢাকায় পালিয়ে যায়। ইকবালের সংসারে থেকেও দিপ্তি ছাড়তে পারেনি তার পুরনো অভ্যাস। একদিন ইকবালের অগোচরে দিপ্তি তার নগদ টাকাও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায় গাজীপুরে। সেখানে সে একটি পোষাক কারখানায় চাকুরি নেয়। এর সুবাদে তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক হয় লালমোহনের কালিপদ দাসের ছেলে উজ্জল চন্দ্র দাসের। দিপ্তি এবার তার নাম জান্নাতুল ফেরদাউস বীনা গোপন করে নতুন নাম রাখে দিপ্তি রানী। তাছাড়া সুদর্ষণ উজ্জলের ভালো চাকুরি ও টাকা পয়সা দেখে সে উজ্জলকে তার কবজায় আনার জন্য জন্য বিয়ের আগেই সবকিছু লেলিয়ে দেয়। বহুবিবাহে অভ্যস্থ চতুর দিপ্তি, একদিন ওই এলাকার কিছু বখাটে যুবকদের টাকার বিনিময়ে চুক্তি করে উজ্জলকে প্রলোভন দেখিয়ে মন্দিরে নিয়ে আসে এবং রেজিষ্ট্রেশন বিহিন একটি বিয়ের কার্য সমাধান করে। বিয়ের কিছুদিন পর যখন উজ্জল জানতে পারে দিপ্তি আসলেই মুসলিম ধর্মের ও তার আরো ২জন স্বামী ও সন্তান রয়েছে, এ খবর জানামাত্র কোন উপায় অন্ত না পেয়ে উজ্জল ওই এলাকা থেকে দিপ্তিকে রেখে পালিয়ে যায়। এর পর লালমোহন এসে শুরু হয় দিপ্তির ননষ্টপ আন্দোলন। দিপ্তি জানতে পেরেছে, উজ্জলের বাবা কালিপদ অনেক টাকার মালিক, হাতি বাঁচলেও লাখ টাকা আর মরলেও লাখ টাকা। দিপ্তি কয়েকজন মিডিয়া কর্মীকে বলেছে, আমার এ আন্দোলনে আমি সাকসেস হবই। জানি কালিপদ আমাকে কোনদিনও তার ঘরে তুলবে না। আমি তাকে এত পরিমানে ডিষ্টাব করব যার কারণে সে আমাকে বাধ্য হয়ে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ভোলা থেকে বিদায় করতে হবে। এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে দিপ্তি সামনের দিকে এগুচ্ছে। সূত্রে জানাগেছে, কোন দিনও কালিপদ বাবু দিপ্তিকে ঘরে তুলতে পারবে না। কারণ তার আরো ২জন মুসলিম স্বামী জীবিত রয়েছে। যারা এখনো তাকে তালাক দেয়নি আর দিপ্তিও তাদের তালাক দেননি। তাদের সাথে দিপ্তির বিয়ের কাবিননামা ও ভোটার আইডি কার্ডের প্রমান পত্র রয়েছে। কার বৌ কে ঘরে তুলে পুলিশের অপহরণ মামলা খাবে ? অন্যদিকে দিপ্তির মত প্রতারক ও অবাধ্য ছেলে উজ্জলের জন্য কালিপদ কেন তার প্রিয় সনাতন ধর্মের মুখে কালি মাখাবে ? দিপ্তিতো ধোয়া তুলশিপাতা নয়। দিপ্তি কখনো মিথ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন না। কারন সেযে প্রতারক তার সকল ডকুমেন্স এখন মিডিয়া কর্মীদের কাছে চলে এসেছে। সে সম্পূর্ণ ভূয়াপুরের ভূয়া নারী, প্রতারক ও মাদক আশক্তি রহস্যময়ী। নারী জাতের কলঙ্ক। তাছড়া সুত্রে জানাগেছে, দিপ্তিকে ঠেকানোর জন্য কালিপদ বাবু প্রয়োজনে তার ছেলে উজ্জলকে তেজ্য পূত্র করবে। দিপ্তি সবার কাছে বলে বেড়াচ্ছেন উজ্জলের সন্তান তার গর্বে রয়েছে। ডকুমেন্স রয়েছে বর্তমানে উজ্জলসহ তার ৩জন স্বামী রয়েছে। দিপ্তির পেটের সন্তানকে নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। কিভাবে বলা যায়, এ সন্তান উজ্জলের ? দিপ্তি, বর্তমানে মনিরামে অবস্থান করছেন, ভোলা ও লালমোহনের সহজ সড়ল মানুষদের নিয়ে কালিপদের বিরুদ্ধে মানব বন্ধন বিক্ষোভ মিছিল করার জন্য দিপ্তির এ কর্মসূচী কোনদিনও সফল হবে না। কারণ ভোলা লালমোহনের জনগন জেনেছে, আরো জানবে, দিপ্তি সস্পূর্ণ ভূয়া প্রতারক। সূত্রে জানাগেছে, ভোলায় থেকে দিপ্তি গত ২মাসে মায়াকান্না ও অসহায়েত্বের নাটক ও যুবকদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এ ব্যাবসাটা অবশ্য তার গরর্মেন্সের চাকুরির চাইতে ভালো। এভাবে আর কত দিন চলবেন ? সবাই জেনে গেছে দিপ্তি ইহকাল পরকাল ভুলে গিয়ে অর্থের টানে ঘনঘন ধর্ম ও স্বামী পাল্টানো তার পেশা। আর ইয়াবা সেবন করা আপনার নেশা। মুসলমানদের পবিত্র রমজান মাসে দিপ্তি সেক্স করার বিভিন্ন অশ্লীল ছবি ভোলা, লালমোহনের যুবকদের মোবাইলে পোষ্ট করেছে। দিপ্তি এভাবে মুসলমানদের রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে পারেন না। এমনিতো সে মুসলিম ধর্মের নামে কলঙ্ক মাখিয়ে হিন্দু হয়েছে। সূত্রে জানাগেছে, এমন চলতে থাকলে ভোলার মোল্লারা দিপ্তিকে আন্দোলন করে ভোলা থেকে নামাবে। কারণ ভোলার যুবকদের চরিত্র নষ্ট করার আধিকার দিপ্তির নেই। প্রশাসন, মিডিয়া ও ভোলার জনগনকে দিপ্তি উজ্জলের সাথে খোলামেলা ছবি দেখিয়ে স্বামী প্রমান করতে পারবেন না। কারণ উজ্জলের সাথে দিপ্তির বিয়ের কোন সরকারি রেজিষ্ট্রেশন (কাবিন) নামা নেই। ১২ বছর বয়স থেকে দিপ্তি একের পর এক বিয়ে ও ধর্ম চেঞ্জ করেছে। দিপ্তি জানায়, লালমোহনের এক হিন্দু পরিবারে তার জন্ম। সে ২ বছর বয়সে সে হাড়িয়ে যায় এবং টাংগাইলের বাছেদ তালুকদার নামে এক ব্যক্তি তাকে কুড়িয়ে পেয়ে তার বাড়ীতে লালন পালন করে বড় করে। এর পর ১২ বছর বয়স হলে তাকে জোবায়ের নামের এক ছেলে সাথে বিয়ে দেয়। সেখানে দিপ্তি ২টি ছেলে সন্তান জন্ম দেয়। এর পর স্বামী জোবায়েরের সাথে দাম্পত্য কলোহের কারণে তাদের সংসার ভেঙ্গে যায়। পরে দিপ্তি তার পালিত বাবা মায়ের কাছে ফিরে গেলে তারা তাকে অর গ্রহণ করেনি। দিপ্তি এর পতিবাদ করলে তার পালিত বাবা মা তাকে বলে দেয় তুমি হিন্দু পরিবারের সন্তান তোমাকে আমারা আর মুসলিম পরিবারে স্থান দিব না। এর পর দিপ্তি গাজীপুরে একটি পোষাক কারখানায় চাকুরি নেয় সেখানে লালমোহনের কালীপদ দাসের ছেলে উজ্জলের সাথে সে প্রেমের বন্ধনে অবদ্ধ হয়। একদিন দিপ্তি উজ্জলকে বলে আমার আসল বাবা মা তোমাদের লালমোহনে থাকে ওই মুহুর্তে উজ্জল তাকে কথা দেয় তুমি আমাকে বিয়ে করলে তোমার আসল বাবা মাকে আমি খুজে দিব। এ পর একটি মন্দিরে গিয়ে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ে পর তারা দুজন একটি ঘর ভাড়া করে সুখে শান্তিতে সংসার শুরু করে। এক বছর পর স্বামী উজ্জল জানায় তুমি লালমোহনে গিয়ে আমার বাবার ঘরে স্বামীর অধিকার নিয়ে উঠবে। আমার বাবা তোমাকে সম্মানের সাথে ঘরে না তুললে তুমি মিডিয়া কর্মীসহ স্থানীয়দের সাথে নিয়ে তোমার আন্দোলন চালিয়ে যাবে। এর পর উজ্জল দিপ্তি কে লালমোহনে পঠিয়ে দিয়ে তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে নিজের কর্মস্থল ও বাসা থেকে পলিয়ে যায়। দিপ্তি সাংবাদিকদের ক্যামারার সামনে যা বলল, তা কি কখনো বাস্তবে হতে পারে ? আপনারাই বলুন ? আর আমি বলব এমন ঘটনা সুধু মাত্র সিনেমা নাটকেই দেখা যায়। গত ২মাস যাবৎ শত চেষ্টা করেও দিপ্তির মুখ থেকে তার ১ম, ২য় স্বামী ও তার পালিত বাবা মার ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার নিতে পারিনি। এ বিষয়টি সে সবসময় এড়িয়ে গেছে। দিপ্তির কথা অনুযায়ী সে লালমোহন থেকে ২ বছর বয়সে হাড়িয়ে গেলে তাকে টাংগাইলের বাছেদ তালুকদার পেল কি করে ? তাছাড়া দিপ্তি বলছে বর্তমনে তার জন্মদাতা বাবা মা ও চৌদ্দ গোষ্ঠির সবাই মারা গেছে। পুরো বংশের মানুষ একসাথে মরতে আপনারা কখনো দেখেছেন ? বিবেচনা আপনাদের।