ভোলা দৌলতখানে ‘ইউপি সদস্য’র ছুড়ির আঘাতে যুবক আহত’ ইঙ্গিত ইউএনওর অভিযোগ পরিবারের,

আল-আমিন  এম তাওহীদ,

ভোলানিউজ.কম,

৩০জুন-২০১৭ শুক্রবার,

ভোলা দৌলতখানে  পূর্বের শত্রুতার জেরধরে চরপাতা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মোঃ হেলালের ছুড়ির আঘাতে আহত হলেন যুবক মোবারক (৩০)। সন্ত্রাসী হামলার পিছনে ইঙ্গিত রয়েছে ভোলা দৌলতখান উপজেলার নির্বাহি অফিসার কামাল হোসেনের বলে অভিযোগ করেছেন আহতদের পরিবার।

আহত মোবারক হোসেন দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়ন ৪ ওয়ার্ডের বাসিন্দা জিলন মাঝীর ছেলে।

এলাকাবাসি সূত্রে জানায়, শুক্রবার বিকাল, ৪টার দিকে মোবারক হোসেনের বড় বোনকে ভোলা লঞ্চঘাটে নিয়ে আসেন ঢাকার উদ্দেশ্যে। বোনকে লঞ্চ এ উঠিয়ে দিয়ে মোবারক বাড়ি ফেরার পথে চৌদ্রিমিয়ার হাট এলাকায় আসলে ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা থেকে নামিয়ে হেলাল মেম্বার ও তার সহযোগিরা মিলে মোবারকের উপর ছুড়ির আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়। এসময় এলাকাবাসি মুমুর্ষ আহত অবস্থায় মোবারক আলিকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠায়। বর্তমানে মোবারক আলি ভোলা সদর হাসপাতালে পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ড ৩৮নং বেডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
আহত মোবারকের পরিবার সূত্রে জানান, ভোলা দৌলতখান উপজেলা নির্বাহি অফিসার (ইউএনও) কামাল হোসেনের নেতৃত্বে চরপাতার ৪নং ওয়ার্ডের হেলাল মেম্বারসহ একদল সন্ত্রাসীরা মোবারক আলীর উপর টিপ ছুড়ি ও লোহার ছিকল দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করেন। এসময় মোবারক বাচাঁর জন্য ডাক চিৎকার দিলে এলাকাবাসি এগিয়ে আসেন। পরে মোবারককে উদ্ধার করে ভোলা হাসপাতালে নিয়ে আশা হয়।
এবিষয়ে, ভোলা দৌলতখান উপজেলার নির্বাহি অফিসার কামাল হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি হলাম জনগণের সেবক দৌলতখান হলো আমার উপজেলা। কেন আমি সন্ত্রাসী হামলা চালাতে বললো। আমার কাছে সকলে সমান। আমি কোন ইউপি সদস্যকে কারো উপর হামলা করতে বলিনি। এগুলো সব মিথ্যা কথা। মনে হয় পূর্বের কোন শত্রুতা নিয়ে এমন কোন ঘটনা ঘটাতে পারে এবং আমাকে ফাসাঁনোর চেষ্টা করছে বলে তিনি বলেন।
এবিষয়ে আহতদের কাছে মামলা সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলেন, মামলার প্রস্তুতি চলছে।